Science & Technology সংক্রান্ত ব্লগিং!

সুপার কম্পিউটার বনাম কোয়ান্টাম কম্পিউটার: ভবিষ্যতের দৌড়ে আসলে এগিয়ে কে?

Foysal Ahmed

|

08 October 2026

কম্পিউটিং প্রযুক্তির জগতে সুপার কম্পিউটার ও কোয়ান্টাম কম্পিউটার—দুটিই শক্তিশালী প্রযুক্তির প্রতীক। বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ, জটিল গাণিতিক হিসাব এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সুপার কম্পিউটার ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অন্যদিকে, কোয়ান্টাম কম্পিউটার এখনো বিকাশের পর্যায়ে থাকলেও নির্দিষ্ট কিছু জটিল সমস্যা সমাধানে ভবিষ্যতে অভাবনীয় ক্ষমতা দেখানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাহলে প্রশ্ন হলো—সুপার কম্পিউটার নাকি কোয়ান্টাম কম্পিউটার, কোনটি বেশি শক্তিশালী? এর সরাসরি উত্তর হলো, সব ধরনের কাজের জন্য একটি প্রযুক্তিকে অন্যটির চেয়ে শক্তিশালী বলা যায় না। বরং দুটির শক্তির ধরন এবং কাজের পদ্ধতিই আলাদা। সুপার কম্পিউটার কীভাবে কাজ করে? সুপার কম্পিউটার মূলত প্রচলিত কম্পিউটিং প্রযুক্তির অত্যন্ত উন্নত সংস্করণ। সাধারণ কম্পিউটারের মতোই এটি বাইনারি ০ ও ১ ব্যবহার করে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে।...

সুপার কম্পিউটার বনাম কোয়ান্টাম কম্পিউটার: ভবিষ্যতের দৌড়ে আসলে এগিয়ে কে?

ঘরের তাপমাত্রায় চলবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার, কিউবিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে হীরার ত্রুটি

Foysal Ahmed

|

07 October 2026

কোয়ান্টাম কম্পিউটারের জগতে নতুন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন জার্মান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যাক্সন কিউ-এর গবেষকেরা। হীরার ভেতরের অতি ক্ষুদ্র ও পরিকল্পিত ত্রুটিকে কিউবিট হিসেবে ব্যবহার করে এমন একটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ব্যবস্থা তৈরির দাবি করা হয়েছে, যা প্রচলিত ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তির মতো অত্যন্ত কম তাপমাত্রার পরিবেশ ছাড়াই কাজ করতে পারে। গবেষকদের দাবি অনুযায়ী, নতুন এই প্রযুক্তি স্বাভাবিক বা ঘরের তাপমাত্রায় পরিচালনা করা সম্ভব। শুধু তা-ই নয়, বিশেষ ধরনের এই কোয়ান্টাম সিস্টেম সাধারণ কম্পিউটারের মতো সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগে চালানো এবং প্রচলিত সার্ভার র‍্যাকে স্থাপন করাও সম্ভব হতে পারে। ফলে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং প্রযুক্তিকে গবেষণাগারের সীমা থেকে বাস্তব প্রয়োগের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কোয়ান্টাম কম্পিউটারে কিউবিট কেন গুরুত্বপূর্ণ? সাধারণ কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক...

ঘরের তাপমাত্রায় চলবে কোয়ান্টাম কম্পিউটার, কিউবিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে হীরার ত্রুটি

সেমিকন্ডাক্টর ইঞ্জিনিয়ার তৈরিতে নতুন সম্ভাবনা, দক্ষতা উন্নয়নে ইউভিটিআইয়ের উদ্যোগ

Foysal Ahmed

|

07 October 2026

বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতে দ্রুত বিকাশমান সেমিকন্ডাক্টর ও ভিএলএসআই (VLSI) শিল্পে দক্ষ প্রকৌশলীর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তবে শিল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষিত ও ব্যবহারিক জ্ঞানসম্পন্ন মানবসম্পদের ঘাটতি এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। এই ঘাটতি পূরণে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সেমিকন্ডাক্টর ইঞ্জিনিয়ার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে উল্কাসেমি ভিএলএসআই ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (ইউভিটিআই)। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর খাতকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইউভিটিআই অন্যতম বৃহৎ উদ্যোগ। এর লক্ষ্য শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান দেওয়া নয়; বরং শিক্ষার্থীদের সরাসরি সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রিতে কাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা। ইন্ডাস্ট্রিমুখী কারিকুলামে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধাপকে কেন্দ্র করে ইউভিটিআইয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সাজানো হয়েছে। প...

সেমিকন্ডাক্টর ইঞ্জিনিয়ার তৈরিতে নতুন সম্ভাবনা, দক্ষতা উন্নয়নে ইউভিটিআইয়ের উদ্যোগ

কম খরচে প্রথমবারের মতো আকাশে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটারিচালিত বিমান

Foysal Ahmed

|

07 October 2026

ব্যাটারির শক্তিতে চলা বিশ্বের সবচেয়ে বড় উড়োজাহাজ প্রথমবারের মতো আকাশে উড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি আঞ্চলিক বিমানবন্দর থেকে হার্ট অ্যারোস্পেসের এক্স১ নামের পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজটি ২৭ মিনিট আকাশে ছিল। পুরো উড্ডয়নেই কোনো জ্বালানি ব্যবহার না করে শুধু ব্যাটারির শক্তিতে উড়েছে বিমানটি। সুইডেনে প্রতিষ্ঠিত হার্ট অ্যারোস্পেসের তৈরি এক্স১ মূলত যাত্রী পরিবহনের জন্য নয়। ভবিষ্যতে ৩০ আসনের হাইব্রিড বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ তৈরির প্রযুক্তি পরীক্ষা করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। প্রথম উড্ডয়নে উড়োজাহাজটিতে ছিলেন শুধু একজন পাইলট। এ সময় এটি সর্বোচ্চ প্রায় ১১০০ ফুট উচ্চতায় ওঠে। এক্স১ এর দৈর্ঘ্য ৭৬ ফুট এবং ডানার বিস্তার ১০৬ ফুট। এর ওজন ২৫ হাজার পাউন্ডের বেশি। উড়োজাহাজটিতে ৩০টি আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হার্ট অ্যারোস্পেসের দাবি, বাণিজ্যিক আকারের উড়োজাহাজে ব্যাটারিচালিত উড্ডয়নের সক্ষমতা প্রদর্শনের ক...

কম খরচে প্রথমবারের মতো আকাশে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাটারিচালিত বিমান

নিউট্রিনো গবেষণায় যুগান্তকারী অবদান, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন

Foysal Ahmed

|

07 October 2026

মহাকাশের দূরবর্তী ও শক্তিশালী উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া মার্কিন বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস হালজেন। দক্ষিণ মেরুর বরফের গভীরে স্থাপিত আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরি গড়ে তোলা ও এর গবেষণায় নেতৃত্ব দেওয়ার মাধ্যমে মহাবিশ্ব পর্যবেক্ষণের নতুন পথ উন্মুক্ত করার জন্য তাকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস এ বছরের পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কারের বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে। ৮২ বছর বয়সী ফ্রান্সিস হালজেন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনের সঙ্গে যুক্ত। নিউট্রিনো গবেষণায় হালজেনের বড় অবদান নোবেল কমিটির ভাষ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সিস হালজেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের একটি বড় দলকে নেতৃত্ব দিয়ে...

নিউট্রিনো গবেষণায় যুগান্তকারী অবদান, পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন ফ্রান্সিস হালজেন